Author Archives: zakaria112203

আপনি কখনো প্রোগ্রামিং করেন নি…….

আপনি কখনো প্রোগ্রামিং করেন নি ৬ মাসের একটি কোর্স করে প্রফেশনাল হওয়ার চিন্তা বাদ দিন। শুধু ৬ মাসের কোর্স করে কি আদো প্রফেশনাল হওয়া সম্ভব? উত্তরঃ হ্যা আবার না।

#হ্যাহলেঃ ৬ মাসের কোর্সে আপনাকে ওই একটি বিষয়ের উপর অনেক কিছু দেখানো হয় এবং গাইডলাইন দেয়া হয়। আপনি সব কিছু সংগ্রহে রেখে, কোর্স শেষ হওয়ার পর ১-২ বছর রেগুলার প্রেক্টিস করুন ওই সব বিষয়ের উপর। তাহলে আশা করা যায় কিছুটা।

#নাহলেঃ কোর্সে ৬ মাস আসলেন গেলেন অথবা অনলাইনেই করলেন, কিন্তু সাথে সাথে প্রেক্টিস বা শ্রম দিলেন না, তাহলে যা ছিলেন তাই থেকে থাকবেন। অথ্যাৎ, এভরিথিং জিরো।

ও হে, প্রেক্টিস এবং পরিশ্রম থাকলে অনলাইনে নিজে নিজেও ভাল করে শিখা সম্ভব। গাইডলাইন এর জন্য ওই বিষয়ে দক্ষ কারো হেল্প নেয়া যেতে পারে। বি.দ্রঃ প্রায় সব কোর্স এর ক্ষেত্রে লেখাটা প্রযোজ্য। (Author MD Zakaria)

ডিপ্লোমা ৩য় সেমিস্টারে থাকা অনেক ………

ডিপ্লোমা ৩য় সেমিস্টারে থাকা অনেক স্টুডেন্টদের বই এর নাম এবং ভিডিও সোর্স দিয়ে সাহায্য করার পরও তারা বলছে বই পড়ে বুঝিনা । আবার অনেকে বলছে কোনটার পর কোনটা শিখবো এটাও বুজতে পড়ছি না। আবার অনেকে শুরুই করে নাই এখনো।

যেহেতু, ডিপ্লোমা সিলেবাসে ৩য় সেমিস্টার থেকে পাইথন বই দিয়ে প্রোগ্রামিং শুরু হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের উচিত ২য় সেমিস্টার এর শেষের দিক থেকে শুরু করে দেয়া প্রোগ্রামিং প্রেক্টিস। এই সমস্ত সমস্যা যারা ফেছ করছেন, কিন্তু প্রোগ্রামিং এর উপর ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহি এবং প্রবল ইচ্ছা শক্তি আছে তারা কমেন্ট অথবা মেসেজ দিয়ে আমার সাথে কথা বলতে পারেন।


বিঃদ্রঃ যারা শুধু পরীক্ষায় পাশ করার জন্য প্রোগ্রামিং করতে আগ্রহি তাদের এরিয়ে যেতে বলা হচ্ছে। ধন্যবাদ।

#শ্রেষ্ঠ একাডেমি কোডিং – Software Engineering Training

ডেভেলপারদের সাথে খারাপ আচরণ করবেন না।

বাংলাদেশে দক্ষ প্রোগ্রামার এর সংখ্যা খুব কম, প্রোগ্রামিং ভাল জানে না এমন ব্যক্তি অনেক সময় অনলাইন মার্কেট এ ব্যবসা করতে আসেন। তারা আসলে বুজে না কোন কাজটি কত দিনে করা সম্ভব, কাজটি সহজ কিনা জটিল, না বুজে চাপ প্রয়োগ করা শুরু করে। আসলে সঠিক ধারনা না থাকার ফলে এমন হচ্ছে। তাদের বলব, শুধু টাকার জুরে ব্যবসা করতে না এসে কিছু জ্ঞান অর্জন করে শুরু করুন, না হলে অতি দ্রুত গুছাতে হবে সব কিছু। বাংলাদেশের প্রোগ্রামিং ফিল্ড ছোট পরিসরের, বাজে ব্যবহার করলে কিছু দিন পর আপনার কাজ করানোর জন্য প্রোগ্রামার খুজে পাবেন না। না হয় নিজেই কম্পিউটার নিয়ে ডেভেলপমেন্ট করে দেখতে পারেন কেমন লাগে। অতয়েব, এই রকম মানসিকতা থেকে বের হয়ে ব্যবসা করার চেষ্টা করুন। ধন্যবাদ।

চাকরিচ্যুত হওয়ার ভয়………

মনে করেন, আপনি একটা কাজ শিখে গেছেন ওই কাজটা যদি যুগ উপযোগী হয় তাহলে এই কাজ বার বার করে সম্মানী পাওয়া সম্ভব। এখন কথা হলো সবার কাছে কিন্তু এই এক কাজ বার বার করা পছন্দ নয়। আবার, এক কাজ বার বার করে জীবন চালানো বুদ্ধিমান এর কাজ নয়। কারণ, এটার উপর একটি টেকনোলজি(রোবটিক্স/ আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স) কাজ করছে কিভাবে ওই জায়গায় মেশিন ব্যবহার করা যায়। ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় এমন হয়েছে রোবট ব্যবহার এর ফলে চাকরিচ্যুত হয়েছে অনেকে। অতয়েব, দৈনিক নতুন নতুন টেকনোলজি শিখে, ওই রকম টেকনোলজি তৈরি করার চেষ্টাই হবে বুদ্ধিমান এর কাজ। (MD Zakaria)।

পিএইচপি ল্যাংগুয়েজ এর বিল্ট-ইন

পিএইচপি ল্যাংগুয়েজ এর বিল্ট-ইন ফাংশন গুলোর তালিকার লিংক দিলাম। কোনটা কি কাজ করে জানতে চাইলে, এক একটি ফাংশন কপি করে গুগুল সার্চ দিয়ে কোড এক্সাম্পল দেখতে পারেন এবং প্রেক্টিস করতে পারেন। ধন্যবাদ।


https://www.php.net/manual/en/indexes.functions.php?fbclid=IwAR3W9N45R0dcQ9vh3Sld0m0xB8U7RVoqOLISxZwisLuHfS7oTPx2s3QeSoQ

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং গাইডলাইন – ০

পলিটেকনিক কম্পিউটার সাইন্স এতে নতুন ভর্তি হওয়ার পর ছাত্রছাত্রীদের মনে কি শিখবো,কিভাবে শিখবো, এটা ভালো না,ওটা ভাল না, ইত্যাদি প্রশ্ন মাথায় কাজ করে। আবার এই রকম চিন্তা করে অনেকে এক দেড় বছরেও নির্ধারন এই করতে পারে না কি শিখবে। এই রকম করে গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট করে। আপনি প্রথম সেমিস্টারে যে কোন একটি লেংগুয়েজ (সি অথবা পাইথন)এর বেসিক শিখে ফেলুন । তাহলে আপনার অন্যান্য লেংগুয়েজ এর বেসিক গুলিও সহজ হয়ে যাবে।

তারপর শুরু করে দেন প্রব্লেম সলভিং এবং ডাটা স্ট্রাকচার অ্যান্ড অ্যালগরিদম শিখা। অন্তত ২ বছর শুধু কনসোল কোড এর পেছনে ব্যায় করুন। একটি ধাপ শেষ হলেই আপনি আর একটি ধাপ জেনে জাবেন পরে আর পেছনে ফিরে থাকাতে হবে না।আস্তে আস্তে আপনি সবকিছু দ্রুত শিখতে পারবেন। আর চেস্টা করুন কম্পিউটার সাইন্স এর অন্যান্য সাবজেক্ট গুলির কাজ বুজে পড়তে। ফলে আপনার কম্পিউটার সাইন্স এর বৃত্তি শক্ত হবে। Author by Md Zakaria.

কম্পিউটার(ডিপ্লোমা) স্টুডেন্টরা প্রোগ্রামিং না শিখার কারণ …০১

ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার স্টুডেন্টদের মধ্যে দারুন আগ্রহ দেখতে পাচ্ছি প্রোগ্রামিং এর উপর বিশেষ করে ৩য় এবং ১ম সেমিস্টার এর স্টুডেন্ট এর মধ্যে। আসলে বেশি সংখ্যক স্টুডেন্ট চায় প্রোগ্রামিং এর উপর ক্যারিয়ার গড়তে। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল গাইড লাইন এর অভাব। আবার অনেক কে শুধু বই এর নাম বলে দিলে বুজে না,প্রেক্টিস কি ভাবে করবে। বললাম এই বইটা পড়বেন, ৫-১০ দিন পড়ার পরেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। অনেকে আবার বলে বই পড়ে বুজে না।

সত্যি বলতে কি প্রোগ্রামিং বিষয়টা অনেক হতাশার এবং বিশাল ধৈর্য পরিস্রম দরকার এতে । এই জন্য Complete Guideline দরকার। কি দিয়ে শুরু করবে, কিভাবে প্রেক্টিস করবে, কত ঘন্টা প্রেক্টিস করবে, কোনটার পর কোনটা শিখবে, কোনটার ডিমান্ড ভাল, কোন সেমিস্টারে কি শিখবে ইত্যাদি ইত্যাদি প্রশ্ন মাথায় নিয়ে সময় নস্ট করে প্রোগ্রামিং দিকটা বাদ দিয়ে দেয়। প্রোগ্রামিং এর মজাটা বুঝবার আগেই।

আরও একটি প্রব্লেম হল, একাধিক প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বিভিন্ন সেমিস্টার এতে আসার কারনে সিধ্যান্ত নিতে কষ্ট। একবার ভাবে আমি পাইথন ডেভেলপার, পড়ের সেমিস্টারে ভাবে আমি সি#, জাভা, ওয়েভ ডেভেলপার ফলে কিছুই ভাল করে হয় না। প্রোগ্রামিং রিলেটেড (ডাটা স্ট্রাকচার অ্যান্ড অ্যালগরিদম, ডিসক্রিট ম্যাথ, ডাটাবেস ইত্যাদি) সাবজেক্ট গুলি ভাল করে শিখা হয় না। একটা সময় পর আর নতুন করে শুরু করে লং টাইম শিখার সুযোগ থাকে না।
Author by Md Zakaria.

বি.দ্রঃ এখানে শুধু সমস্যাগুলি বিশ্লেষণ করার চেস্টা করলাম পরবর্তীতে এর সমাধান এর চেস্টা করবো।

কম্পিউটার ক্যারিয়ার গাইডলাইন – ০২

ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সাইন্স অথবা কম্পিউটার সাইন্স এর ওয়েভ ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট, এন্ডোএড ডেভেলপমেন্ট, ডেক্সটপ অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, নেটওয়ার্কিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন ইত্যাদি তে ক্যারিয়ার গড়তে চান তাদেরকে কিছু কিওয়ার্ড এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি। সবগুলি বিষয়ে গুগুল সার্চ করে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন। অথবা এক্সপার্ট হতে প্রত্যেকটি বিষয়ের উপর আপনাকে নিয়মিত কাজ চালিয়ে যেতে হবে, কত দিন লাগবে তা নির্বর করবে আপনার কাজের উপর।

ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট :-

এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট, জেকুয়েরি, জেসন, এংগুলারজেএস, বুস্টটেপ, ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা, পিএইসপি,( লারাভেল, কেকপিএইপি, কোডইগনাইটার ইত্যাদি), জাভা (জেএসএফ, সার্ভলেট,হাইবারনেট, জেএসপি, স্পিং এমবিসি, ইত্যাদি), সি শার্প (এএসপি ডট নেট ইত্যাদি), পাইথন (জ্যাঙ্গো, পাইরামিড, ওয়েবটুপাই ফ্লাস্ক ইত্যাদি)।

ডেক্সটপ অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট :-
(ভিজুয়াল স্টুডিও) ভিজুয়াল বেসিক ডট নেট, সি শার্প ডট নেট, জাভা সুইং, জাভা এফেক্স, জেফেস, পাইথন(কিউভি, পাইফরম, পাই গো অবজেক্ট, পাই গুই, পাই কিউ টি ইত্যাদি)।

এন্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্ট :-
(এন্ড্রয়েড স্টুডিও) জাভা, কটলিন(এসকিউলাইট, ফায়ারবেস ডাটাবেজ), ক্রস প্লাটফরম (এক্সামারিয়া, করোনা এসডিকে, দ্যা অ্যাপ বিল্ডার, ফোন গেপ, নেটিভ স্ক্রিপ্ট, এন্ড্রয়েড ইমুলেটর ইত্যাদি।

ডাটাবেজ সমূহ :-
মাইক্রোসফট এসকিউএল, ওরাকল, পোস্টগ্রে, মারিয়াডিবি, এসকিউলাইট, ফায়ারবেস ইত্যাদি।

কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং :-
সিসকো নেটওয়ার্কিং সিসিএনএ, হাব, রাউটিং, সুইচিং, ওএসআই মডেল, টিসিপি/আইপি, মাইক্রোটিক রাউটিং, ইত্যাদি।

গ্রাফিক্স ডিজাইন :
ভিডিও এডেটিং, কেমটাশিয়া, ইউ এক্স/ ইউ আই ডিজাইন, এডোবি ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, এনিমেশন, আফটার ইফেক্ট, ইত্যাদি।

আপনি যে বিষয়েই ক্যারিয়ার গড়তে চান না কেন আপনাকে অবশ্যই টপ লেভেল এর হতে হবে সেটা যে কোন একটি বিষয়ের উপর হতে পারে। যেন আপনার সিলেক্ট করা বিষয়ের উপর সার্চ করলে আপনার নাম লিস্টির টপে থাকে। অধিক পরিমাণ পরিশ্রম, ধর্য্য নিয়ে একটি বিষয়ের উপর ৩-৪ বছর কাজ করার চেস্টা করুন। আর আমাদের পেজ Sreshto Academy Soft. গ্রুপ লিংক https://facebook.com/groups/1503435026374516?ref=bookmarks এর সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।

Read more